1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মুষলধারে বৃষ্টির আঘাতে নেত্রকোনায় বন্যার করাল থাবা আরও বিস্তৃত - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

মুষলধারে বৃষ্টির আঘাতে নেত্রকোনায় বন্যার করাল থাবা আরও বিস্তৃত

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২০০ বার পঠিত
নেত্রকোনায় বন্যা

নেত্রকোনায় আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি, যা সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি আকারে অব্যাহত ছিল। ফলে, জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে এবং নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে।

গতকাল সোমবার সকালে নেত্রকোনার আকাশে উজ্জ্বল রোদ দেখা গিয়েছিল, সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। এতে বন্যাকবলিত পাঁচটি উপজেলায় পানি কিছুটা কমে গিয়েছিল। তবে আজ ভোরে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নেত্রকোনা কার্যালয় থেকে জানা যায়, পূর্বধলার জারিয়া বাজার এলাকায় সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কার্যালয়ের নির্বাহী কর্মকর্তা সাওয়ার জাহান সকাল পৌনে ১০টার দিকে জানান, উব্দাখালীর পানি কলমাকান্দা ডাকবাংলো পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছিল। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৫৫ মিটার। তবে দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী ও সদর উপজেলার কংস নদের পানি কিছু পয়েন্টে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে পানি বাড়লেও আশা করা হচ্ছে, দ্রুত নেমে যাবে।

ভারী বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা ঢলে নেত্রকোনার ছোট-বড় নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এছাড়া শেরপুরের ভোগাই-কংসের পানি জারিয়া দিয়ে কলমাকান্দার উব্দাখালী নদীতে মিশছে। এতে করে দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, পূর্বধলা, বারহাট্টা ও সদর—এই পাঁচটি উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস আজ সকালে মুঠোফোনে জানান, ‘কিছুটা বিরতি নিয়ে আজ সকাল থেকে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পূর্বধলার জারিয়া এলাকায় কংস নদের তীরবর্তী বেড়িবাঁধ দুই স্থানে ভেঙে যাওয়ায় পূর্বধলা, সদর ও বারহাট্টার বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটেছে। ফসলি জমিরও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা তৎপর রয়েছি।’

বনানী বিশ্বাস আরও জানান, এ পর্যন্ত বন্যাকবলিতদের সহায়তায় ৩ লাখ টাকা, ২ হাজার ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ৭০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র ও জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, নেত্রকোনার বিভিন্ন উপজেলার অন্তত ২৭টি ইউনিয়নের ১৩১টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী রয়েছেন ৬৫ হাজার মানুষ। ১০টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ৪৩টি পরিবার। প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমির আমন ধান বন্যার পানিতে ডুবে রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে ২০৯টি, যার মধ্যে ১৮৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২১৫টি পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। প্রায় ৩১০ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক পানিতে তলিয়ে আছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..